Tuesday, August 11, 2026

ইরানের আশেপাশে সামরিক শক্তি বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

Share

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি দ্রুত বাড়ছে।

মার্কিন সংবাদ মাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, প্রস্তুতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চাইলে চলতি সপ্তাহের শেষেই ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারেন।

মার্কিন কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যে আগে থেকেই থাকা মার্কিন রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের সঙ্গে যোগ দিতে ‘বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী রণতরী’ ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ড ভূমধ্যসাগরের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এসব রণতরীর সঙ্গে ডেস্ট্রয়ার, ক্রুজার ও সাবমেরিন রয়েছে।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় ১২টি জ্বালানি সরবরাহকারী ট্যাংকার বিমান, ৫০টির বেশি অতিরিক্ত যুদ্ধবিমান—এফ-৩৫, এফ-২২ ও এফ-১৬—মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হয়েছে।

ফ্লাইট ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ইউরোপ হয়ে এসব বিমান অঞ্চলটিতে পৌঁছাচ্ছে।

এদিকে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা জোরদার করতে প্যাট্রিয়ট ও থাড (টার্মিনাল হাই অ্যালটিটিউড এরিয়া ডিফেন্স) নামক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করা হয়েছে, যা ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতে সক্ষম।

সামরিক কর্মকর্তারা নিউইয়র্ক টাইমসকে বলেছেন, স্বল্পমেয়াদি অভিযানে মার্কিন ঘাঁটি, সেনা ও মিত্রদের সুরক্ষা দেওয়ার মতো প্রস্তুতি এখন রয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে থাকতে পারে ইরানের স্বল্প ও মধ্যপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র, পারমাণবিক স্থাপনা এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের ঘাঁটি।

নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। ইরানকে পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করার বিষয়ে বিস্তারিত প্রস্তাব দিতে দুই সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে। তবে কূটনৈতিক আলোচনা চললেও সামরিক প্রস্তুতি থামেনি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলা হলে ইরানের পক্ষ থেকে ইসরায়েল ও অঞ্চলে থাকা মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঝুঁকি রয়েছে। ফলে পরিস্থিতি দ্রুত বড় আকারের সংঘাতে রূপ নিতে পারে।

Read more

Local News