Saturday, April 18, 2026

আইএমএফ-বিশ্বব্যাংক থেকে বাড়তি অর্থসহায়তা পেতে পারে বাংলাদেশ

Share

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাবে সৃষ্ট আর্থিক ঘাটতি পূরণে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে নিয়মিত বাজেট সহায়তার বাড়তি অর্থসহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ওয়াশিংটনে আইএমএফ-বিশ্বব্যাংকের স্প্রিং মিটিংয়ের সাইডলাইনে এসব সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এই ইঙ্গিত দেন। অর্থমন্ত্রী ১১ সদস্যের প্রতিনিধিদল নিয়ে বর্তমানে ওয়াশিংটনে রয়েছেন।

গত ১৩ এপ্রিল তিনি আইএমএফের নির্বাহী পরিচালক উর্জিত প্যাটেল এবং বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট জন জুটসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন।

অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘আইএমএফ-এর বিদ্যমান প্রোগ্রামের কিস্তি ছাড়ের অতিরিক্ত আরও ভালো কিছু হতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘কিস্তি ছাড় তো একটা বিষয়, প্রোগ্রামের আন্ডারে এর চেয়ে আরও ভালো কিছু হতে পারে।’

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আশা করছি সার্বিকভাবে সর্ট-টার্মে জুনের মধ্যে এবং নেক্সট বাজেটে (অতিরিক্ত ফান্ডিং) পাওয়া যাবে। সার্বিক আলোচনা সফল হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি আমাদের যে ঘাটতিটা হয়ে গেছে, এটা পূরণে বহুলাংশে সফল হব।’

প্রতিনিধিদলের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাংলাদেশ আগামী জুনের মধ্যে অতিরিক্ত ২ বিলিয়ন ডলারের জরুরি সহায়তা পেতে পারে।

ইতোমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে উন্নয়নশীল ও লো-ইনকাম কান্ট্রিগুলোকে আইএমএফ ৫০ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত এবং বিশ্বব‍্যাংক ২৫ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত জরুরি সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে।

বাংলাদেশের বর্তমানে ৫ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার ঋণ কর্মসূচীর অংশ হিসেবে জুনের মধ‍্যে দুই কিস্তিতে ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার পাওয়ার কথা রয়েছে এবং বিশ্বব্যাংক থেকে ৪০০ মিলিয়ন ডলার বাজেট সহায়তা পাওয়ার কথা রয়েছে।

অর্থমন্ত্রী ওয়াশিংটনে সাংবাদিকদের আরও বলেন, ‘বিশ্বব‍্যাংক অল-আউট সাপোর্ট দেওয়ার জন্য রেডি রয়েছে। এরমধ্যে পলিসিগত সাপোর্ট যেমন রয়েছে, আবার ফান্ডিংয়ের বিষয় রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘এমনিতে অর্থনীতিতে বিভিন্ন ঘাটতি নিয়ে আমরা সরকার পরিচালনায় এসেছি, যুদ্ধের কারণে বড় ধরনের আর্থিক ঘাটতির মধ্যে পড়েছি। এসব সমাধানে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘বিশ্বব্যাংক পলিসি ও ফান্ডিং বিষয়ে সমস্যা সমাধানে সচেষ্ট থাকবে।’

Read more

Local News