Sunday, September 13, 2026

উইটকফ-কুশনারের ওপর নির্ভর করছে ইরানে হামলার সিদ্ধান্ত: গার্ডিয়ান

Share

ইরানে সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করছে তার বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারের পর্যালোচনার ওপর।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে সংবাদ মাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানে হামলার বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি ট্রাম্প। চলতি সপ্তাহে ইরান তার প্রস্তাব পাঠাবে বলে আশা করছে যুক্তরাষ্ট্র। সে অনুযায়ী আগামী বৃহস্পতিবার জেনেভায় দুই দেশের মধ্যে নির্ধারিত বৈঠককেই শেষ চেষ্টা হিসেবে দেখছে ওয়াশিংটন।

আলোচনায় নেতৃত্ব দেবেন উইটকফ ও কুশনার। সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে তাদের মূল্যায়নের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবেন ট্রাম্প।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই মার্কিন কর্মকর্তা গার্ডিয়ানকে বলেন, ‘ইরান সংক্রান্ত সব বৈঠকেই উইটকফ উপস্থিত ছিলেন। ট্রাম্পকে পরামর্শ দেওয়ার ক্ষেত্রে তার মূল্যায়ন সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’

আরও একাধিক সূত্রের বরাতে সংবাদ মাধ্যমটি জানায়, পরমাণু চুক্তি নিয়ে তেহরান সময়ক্ষেপণ করছে কি না, সে প্রশ্নে উইটকফ ও কুশনারের মতামতকে গুরুত্ব দিচ্ছেন ট্রাম্প।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে হোয়াইট হাউসের সিচুয়েশন রুমে ব্রিফিংয়ে ট্রাম্প জানিয়েছেন, চুক্তি না হলে ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টিতে সীমিত হামলা নাকি দীর্ঘমেয়াদে বড় পরিসরে সামরিক অভিযান চালানো হবে—উভয় বিষয়ই বিবেচনায় রেখেছেন তিনি।

ট্রাম্পের প্রধান উপদেষ্টাদের মধ্যে রয়েছেন—ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, সিআইএ পরিচালক জন র‍্যাটক্লিফ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ, জয়েন্ট চিফ অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন, হোয়াইট হাউস চিফ অব স্টাফ সুসি ওয়াইলস ও জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক তুলসি গ্যাবার্ড।

গার্ডিয়ান জানায়, ইরানে সম্ভাব্য বিমান হামলার পক্ষে ও বিপক্ষে—দুই দিকই তুলে ধরেছেন ভ্যান্স।

সম্ভাব্য ঝুঁকিগুলো খতিয়ে দেখছেন জেনারেল কেইন। যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মজুদ নিয়েও উদ্বিগ্ন তিনি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সীমিত বিমান হামলা ইরানকে চুক্তিতে বাধ্য করতে পারবে কি না বা দেশটির শাসনব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবে কি না—ট্রাম্প প্রশাসনের ভেতরে এ নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

Read more

Local News