৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার শেষ দিনে আটটি দেশ থেকে ২২৪ কোটি ২৬ লাখ টাকার রপ্তানি আদেশ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে আয়োজক সংস্থা রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)।
আজ শনিবার বিকেলে পূর্বাচলে বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়।
ইপিবি আরও জানায়, এ বছর মোট ৩৯৩ কোটি টাকার পণ্য বিক্রি হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এবার মেলায় পণ্য বিক্রি বেড়েছে ৩ দশমিক ৪২ শতাংশ।
রপ্তানি আদেশ পাওয়া গেছে আটটি দেশ থেকে। এর মধ্যে রয়েছে সিঙ্গাপুর, হংকং, ভারত, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান।
আর এসব দেশে রপ্তানির জন্য অর্ডার পাওয়া পণ্যের মধ্যে বহুমুখী পাটজাত পণ্য, তাঁতবস্ত্র, ইলেকট্রনিক সামগ্রী, কসমেটিকস ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য উল্লেখযোগ্য।
সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, ‘ভবিষ্যতে কাঠামোগত পরিধি বাড়ানোর জন্য গণপূর্ত বিভাগের ৬ একর জমি ইপিবি’র অনুকূলে নেওয়ার পরিকল্পনা চলছে। প্রয়োজনে সেখানে বহুতল ভবন করা হবে।’
এ সময় মেলার যাতায়াত সংকটের স্থায়ী সমাধান না করতে পারায় দুঃখ প্রকাশ করেন উপদেষ্টা। বলেন, ‘সড়ক সংস্কারের যথাসম্ভব চেষ্টা করেছি। আগামীতে মেলায় ভ্রমণ আরও বেশি আনন্দদায়ক হবে বলে আশা করি।’
শেখ বশিউদ্দীন বলেন, ‘দেশে উৎপাদিত বেশ কিছু পণ্য আছে, যা বিক্রি নয় প্রদর্শন করতে চান ব্যবসায়ীরা।’
এসব ব্যবসায়ীদের সাশ্রয়ী কিংবা বিনামূল্যে আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়টি আগামী বোর্ড সভায় উত্থাপন করার ওপর জোর দেন তিনি।
মেলা থেকে মানুষ সাশ্রয়ী মূল্যে নতুন উদ্ভাবিত পণ্য কিনতে চায় উল্লেখ করে এ বিষয়ের দিকে ইপিবিকে গুরুত্ব দিতে বলেন বাণিজ্য উপদেষ্টা।
অনুষ্ঠানে বাণিজ্য মেলা সম্পর্কিত একটি ওয়েবসাইটের উদ্বোধন করেন উপদেষ্টা।
এবার ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় অংশ নেয় ৩২৯টি প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে দেশীয় প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি ভারত, তুরস্ক, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, হংকং ও মালয়েশিয়ার ১১টি বিদেশি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়।
মেলায় কারা অধিদপ্তর, জয়িতা ফাউন্ডেশন, বিসিক, তাঁত বোর্ড, জেডিপিসি, এপেক্স কনভেনিয়েন্স ফুডস লিমিটেড ও বাংলাদেশ টি-বোর্ডের বেশকিছু পণ্য নতুন হিসেবে উল্লেখ করে ইপিবি।

