আজ বাংলাদেশের নবযাত্রার দিন। গণঅভ্যুত্থান শেষে বহু প্রত্যাশার নির্বাচন পেরিয়েছি আমরা। গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার সুযোগ এলো আবার। বাংলাদেশকে এবার সামাজিক ঐক্য ও রাষ্ট্র পুনর্গঠনের পথে এগোতে হবে। বিশেষভাবে অগ্রাধিকার দিতে হবে অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ গড়ায়।
জাতীয় নির্বাচন শেষে কেউ সরকার গড়বে, কেউ বিরোধী দল হবে—এটা স্বাভাবিক। মুখ্য বিষয় হলো, নির্বাচনে জনগণের বড় একাংশের অংশগ্রহণ ছিল কি না এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়া সরকারের হস্তক্ষেপমুক্ত ছিল কি না। এই দুই বিবেচনায় আবার ইতিবাচক পথে হাঁটতে শুরু করেছে বাংলাদেশ।
নিশ্চয়ই আমাদের প্রত্যাশার সবটুকু পূরণ হয়নি এবারও। কিন্তু এগোনোর পথনকশা পেয়েছি আমরা।
নির্বাচনে নতুন সরকারের চেয়েও বড় প্রাপ্তি, বাংলাদেশ একটা নির্বাচিত জাতীয় সংসদ পাচ্ছে। যার সদস্যরা বিশ্বাসযোগ্য প্রতিদ্বন্দ্বিতার ভেতর দিয়ে এসেছেন। জনগণ আজ থেকে পছন্দের একটা টিমকে রাজনৈতিক অভিভাবক হিসেবে পাবে।
নতুন জাতীয় সংসদের মানেই হলো আমাদের ভঙ্গুর রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলো আবার পুনর্গঠিত হতে চলেছে। নির্বাচনী প্রচারণার ভেতর দিয়ে আমাদের রাজনৈতিক দলগুলো ইতোমধ্যে নিজেদের পুনর্গঠন করতে শুরু করেছে। যারা এবারের নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি, তারাও পুনর্গঠিত হওয়ার ভেতর দিয়ে ফিরে আসবে। বলা যায়, আজ থেকে পুনরায় বাংলাদেশের রাজনৈতিক পুনর্গঠন পর্ব শুরু হয়ে গেল।
রাজনীতি, রাজনৈতিক দল, জাতীয় সংসদ—এসব আমাদের সম্পদ ও অভিভাবক। এরাই বাংলাদেশের রক্ষাকবচ।
বাংলাদেশের সমাজের সব স্তরে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে রাজনৈতিক কর্তৃত্ব ও সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতেই হবে। প্রতিক্রিয়াশীল ইউটিউবার আর সোশ্যাল ইনফ্লুয়েন্সারদের বদলে সমাজের অভিভাবক হিসেবে অভিষেক ঘটাতে হবে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের কথাও ভাবা হোক এবার
জনগণের প্রাথমিক আশা, নতুন সরকার নতুন সংসদকে দেশের সব সিদ্ধান্তের পাটাতন করে তুলবে। রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক সব সিদ্ধান্ত হতে হবে জাতীয় সংসদে। জনগণ এও দেখতে চাইবে কেন্দ্রীয় সচিবালয়ে নয়, যাবতীয় নীতিগত সিদ্ধান্ত হচ্ছে তাদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা। আর, সেসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হচ্ছে স্থানীয় সরকারের মাধ্যমে।
নিশ্চিতভাবেই, শিগগির এই সংসদ জরুরি প্রশাসনিক, অর্থনৈতিক কাজগুলোতে হাত দিবে। এর মাঝে স্থানীয় সরকারের নির্বাচন বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত আশা করছে স্থানীয় সমাজ।
প্রায় দেড় দশক দেশে বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের ভেতর দিয়ে পাওয়া ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদ নেই। ফলে স্থানীয় সমাজ প্রায় নেতৃত্বহীন। স্থানীয় অর্থনীতি মৃত প্রায়। কৃষি ও কৃষকরা অসহায়। ২৮ শতাংশ দারিদ্র্য এবং প্রায় ডাবল ডিজিট মূল্যস্ফীতিতে স্থানীয় সমাজ ধুঁকছে। পৌরসভাগুলোতে নাগরিক সুবিধা বলতে সামান্যই অবশিষ্ট আছে। জাতীয় সংসদকে অবিলম্বে বর্তমান এতিম দশা থেকে স্থানীয় সমাজকে উদ্ধার করতে হবে এবং তাকে পুনর্জাগরণের দায়িত্ব নিতে হবে। গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে স্থানীয় সমাজে প্রতিশোধ ও প্রতিহিংসার যে সুনামি চলছে তারও অবসান দরকার।
অতীতের হতাশাজনক অভিজ্ঞতা হলো, এমপিরা স্থানীয় সরকারের বিকাশে অনাগ্রহী থাকেন। এই নেতিবাচক মনোভাব স্থানীয় সমাজকে পঙ্গু করে রেখেছে এবং দেশের সামগ্রিক বিকাশও বাধাগ্রস্ত হয়ে আছে তাতে। জাতীয় পুনর্জাগরণের এই নতুন ক্ষণে নতুন সরকার সবল ও শক্তিশালী স্থানীয় সরকারকে সঙ্গে নিয়ে এগোবে বলে মাঠপর্যায়ের আশা।
পুলিশ বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর নৈতিক পুনর্গঠন জরুরি
নতুন সংসদ ও সরকারের তাৎক্ষণিক মনোযোগের আরেক ক্ষেত্র পুলিশ বাহিনীর পুনর্গঠন। এই বাহিনী বেসামরিক প্রশাসনের মেরুদণ্ডতুল্য। কিন্তু কাঠামোগত ও নৈতিকভাবে এই বাহিনী নাজুক অবস্থায় আছে। জনগণ এই বাহিনীকে জুলাই অভ্যুত্থানের আগের অবস্থায় দেখতে চায় না, আবার বর্তমান দুর্বল অবস্থারও উত্তরণ দরকার।
বাহিনীর ভেতর কারো মাঝে গণঅভ্যুত্থান-পূর্ববর্তী ‘স্থিতিশীলতা’য় ফেরার বাসনা থাকলেও সেটা জাতীয় আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা হবে। এ দেশে ৫৪ বছরের অভিজ্ঞতা হলো, যেকোনো সরকারের দ্রুত অজনপ্রিয় হয়ে পড়ার একটা কারণ পুলিশ বাহিনীর উপনিবেশিক ধাঁচের ভূমিকা।
জুলাই অভ্যুত্থানে পুলিশ বাহিনীর প্রতি ক্ষোভের জায়গাগুলো আসন্ন সরকারকে নির্মোহভাবে স্মরণ করতে হবে। মানুষ চায়, একদিকে দুর্নীতিমুক্ত, অন্যদিকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত চূড়ান্ত পেশাদার পুলিশ বাহিনী। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পোশাক পরিবর্তন ছাড়া ওই লক্ষ্যে বেশি কিছু করতে পারেনি।
নতুন সংসদ ও নতুন সরকারের মতো পুলিশ বাহিনীকে দ্রুতলয়ে নৈতিক ও সাংগঠনিকভাবে পুনরুজ্জীবিত করা জরুরি।
রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ও আদর্শিক ভিন্নমতাবলম্বীদের গুম-খুনের সংস্কৃতিতে কোনোভাবে আর ফিরতে চায় না বাংলাদেশ। ফলে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকেও পেশাদারিত্বের মাপকাঠিতে সাজাতে হবে। নতুন সরকার গঠিত হওয়া মাত্র এসব সংস্থার অনেকে নবনির্বাচিতদের আনুকূল্য পেতে নানানভাবে সক্রিয় হবেন। সম্ভবত সরকারের প্রথম পরীক্ষা হবে এরকম যোগাযোগগুলোকে পেশাদারিত্বের ছাঁচে ফেলেই কেবল বিবেচনা করা।
পুরানো তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ের অভিজ্ঞতা থেকে আমরা দেখেছি, নীতিনির্ধারকরা নিজস্ব স্বার্থ থেকে পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে মুক্তি দিলে তারা ঠিকভাবে প্রত্যাশিত দায়িত্ব পালন করতে পারে।
জাতীয় পুনর্মিলন উদ্যোগ দরকার
বেসামরিক প্রশাসনের রাজনৈতিক বিবেচনা-ঊর্ধ্ব পুনর্গঠনের পাশাপাশি আরেকটি জরুরি কাজ সামাজিক রিকনসিলিয়েশনের জাতীয় উদ্যোগ নেওয়া। জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপি উভয়ে ইশতেহারে এই প্রসঙ্গে বলেছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারও শুরুতে বলেছিল তারা প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধের চক্র থেকে দেশকে বের করে আনতে এরকম কমিশন করবে। কিন্তু সেটা করেনি তারা। নতুন সরকারকে এরকম জাতীয় পুনর্মিলন উদ্যোগ নিতে হবে।
জাতীয় রিকনসিলিয়েশন হতে হবে দুই ধারায়—রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক। আদর্শিক ভিন্নমতাবলম্বীদের পাশাপাশি সমাজের শ্রেণিগত রিকনসিলিয়েশনেও হাত লাগাতে হবে। উভয়ই দুরূহ কাজ। কিন্তু নতুন সংসদ ও নতুন সরকারকে এই সামাজিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেই এগোতে হবে।
রাজনৈতিক রিকনসিলিয়েশন হতে হবে সব ধরনের ফৌজদারি অপরাধের অতিরিক্ত। অতীতের ফৌজদারি অপরাধের বিচার অবশ্যই রাজনীতি নিরপেক্ষ পেশাদারিত্বে চলমান থাকবে। কিন্তু স্থানীয় সমাজকে প্রতিশোধ ও প্রতিহিংসার চির দাবানলে রেখে দেওয়া যাবে না। দেশ-বিদেশের অনেক শক্তি বাংলাদেশকে এরকম তুষের আগুনে জ্বলন্ত দেখতে চাইবে। কিন্তু আমাদের সামাজিক সমৃদ্ধি জাতীয় ঐক্য ও সংহতিতে। নতুন সংসদ ও নতুন সরকারকে শুরু থেকে জাতীয় সংহতির মনোভাবে সামাজিক পুনর্মিলন চেষ্টায় নামতে হবে। তা না হলে বারবার ৫-১০ বছর পরপর রাজনৈতিক সংঘাতে অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক অর্জনের ধারাবাহিকতা নষ্ট হতে থাকবে।
জাতীয় পুনর্মিলন উদ্যোগে একদিকে যেমন সব রাজনৈতিক গোষ্ঠীকে রাখতে হবে, তেমনি পাহাড়ি, দলিতসহ সব সামাজিক বর্গকে শামিল করতে হবে।
জাতীয় সংহতির ফাটলগুলো মেরামত করতে হলে নিম্নবিত্ত ও বিত্তহীনদের সঙ্গে সুবিধাপ্রাপ্ত জনগোষ্ঠীর সংলাপের জায়গাও তৈরি করতে হবে। আপাতত অভিনব মনে হলেও এসব বিষয়ে সৃজনশীল রাজনৈতিক উদ্যোগ ছাড়া আমরা ভবিষ্যতের ‘লাল জুলাই’গুলো এড়াতে পারবো না।
নতুন সরকার নিশ্চিতভাবে ‘জুলাই সনদে’র চাপে এবং নিজস্ব আগ্রহে শিগগির অনেক ধরনের সংস্কার উদ্যোগ বাস্তবায়নে হাত দিবে। সেসব উদ্যোগের টেকসই ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে টেকসই জাতীয় রাজনৈতিক সংহতি ও রিকনসিলিয়েশনধর্মী সংলাপের উপর। এটা বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে অনেক বিদেশি শক্তির প্রচার-অপ্রচারও কমাবে। সরকার জাতীয় পুনর্মিলন উদ্যোগে সফলভাবে নেতৃত্ব দিতে পারলে বিশেষ বিশেষ মুরুব্বি দেশের খবরদারিত্বের বাসনা মোকাবেলাও সহজ হবে। এরকম রিকনসিলিয়েশন বাংলাদেশের অর্থনীতিতে দেশ-বিদেশের বিপুল বিনিয়োগের পথ সুগম করবে। একই সঙ্গে এটা সংস্কৃতির ক্ষেত্রে জাতীয় জাগরণ ঘটাবে। তরুণদের ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার ঝুঁকিপূর্ণ মনোভাব কমাতেও এটা কাজে লাগবে।
সরকারের প্রথম ১০০ দিনেই জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন শুরু হোক
ভবিষ্যৎ সংসদের প্রধানতম একটা দায় হবে জুলাইয়ের চেতনার আলোকে বৈষম্যহীন অর্থনীতি পুনর্গঠন। তরুণ সমাজ অধীর আগ্রহে সেই অপেক্ষায় আছে। বাংলাদেশের মতো শ্রীলঙ্কা ও নেপালে গণঅভ্যুত্থান হয়েছিল মূলত অর্থনৈতিক অনাচারের কারণে।
অর্থনৈতিক অনাচারের দুটি দিক। একদিকে আয় ও ধন বৈষম্য বাড়ছে, অন্যদিকে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানহীন প্রবৃদ্ধির উল্লাস দেখতে হচ্ছে। এই দুইয়ের মোড় বদল দরকার।
প্রগ্রেসিভ ট্যাক্স রিফর্ম এবং সেই সূত্রে পাওয়া বাড়তি দেশজ সম্পদকে প্রান্তিক সমাজ ও প্রান্তিক জেলাগুলোর শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে নিতে হবে। বিএনপি ও জামায়াত উভয়ে নির্বাচনী ইশতেহারে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য জিডিপির ৫ ভাগের বেশি করে বরাদ্দের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। সুতরাং এই দুই খাতের পুনর্গঠন ও সম্প্রসারণে উদ্যোগ নিতে সংসদ ও সরকারের কোনো বাধা নেই।
শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে কেবল নতুন অর্থ প্রবাহ যথেষ্ট নয়। শিক্ষায় গুরুত্ব বাড়াতে হবে গুণগত দিকে, আর চিকিৎসা ব্যবস্থাকে হতে হবে দরিদ্রমুখী। এই উভয়খাতের প্রশাসনকে দলীয় বিবেচনার ঊর্ধ্বে উঠে পেশাদারিত্বের নতুন চেতনায় সাজাতে হবে। যারা প্রকৃতই এসব খাতে কাঠামোগত সংস্কার ঘটাতে সক্ষম সেরকম ব্যক্তিদের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় বসাতে হবে।
উগ্রপন্থা রুখবো কীভাবে
শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থনীতি ইত্যাদি খাতের আসন্ন সংস্কার উদ্যোগগুলো দ্রুতই মুখ থুবড়ে পড়তে পারে, যদি গত ১৮ মাস ধরে চলমান মব সহিংসতা বন্ধ করা না যায়। ফলে সরকারের প্রাথমিক অগ্রাধিকার হতে হবে সমাজকে ‘৩৬ জুলাই’ পরবর্তী নৈরাজ্যিক আবহ থেকে উদ্ধার করা।
মব সহিংসতা অন্তর্বর্তীকালীন আমলে বাংলাদেশের সমাজ জীবনের সামাজিক সংহতির অচিন্তনীয় ক্ষতি করেছে। নারী সমাজ ও সংখ্যালঘু সমাজের ব্যাপক শারীরিক, মানসিক ও সম্পদগত ক্ষতি হয়েছে এ সময়। এই নৈরাজ্যিক আবহের ভেতর সশস্ত্র উগ্রপন্থার একটা উদীয়মান বীজও স্পষ্ট। অনেক বুদ্ধিজীবী জনপ্রিয়তার লোভে পড়ে এসবে ইন্ধন দিয়ে চলেছেন।
প্রশ্ন হলো, এ থেকে বাংলাদেশকে বের করে আনা যাবে কীভাবে? করণীয় তিনটি। তিনটি কাজই সমান তালে করতে হবে। প্রথমত, দরিদ্রমুখ অর্থনৈতিক সংস্কার। সম্পদের বণ্টনে প্রান্তিক জেলা-উপজেলাকে অগ্রাধিকার দেওয়া; দ্বিতীয়ত, কেন্দ্র থেকে ইউনিয়ন পর্যন্ত প্রশাসনের প্রতি স্তরে গণতান্ত্রিক চর্চা নিশ্চিত করা এবং তৃতীয়ত, উগ্রপন্থার বিরুদ্ধে কঠোর পুলিশী ব্যবস্থা।
দ্রুতলয়ে এই তিনের সম্মিলিত বাস্তবায়ন ছাড়া নির্বাচন হলেও বাংলাদেশের শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা কঠিন হবে।
শেষকথা, বাংলাদেশের তাবৎ বিষয়ের মীমাংসা হতে হবে গণতান্ত্রিক পথে, জাতীয় সংসদে—এটাই হোক বিএনপি ও জামায়াতের যৌথ প্রাথমিক অঙ্গীকার।
আলতাফ পারভেজ: গবেষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক

